সোমবার, জানুয়ারি ২৬

يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهِ مَن يَشَاء (3-74)

“আল্লাহর রহমত দিয়ে যাকে চান তাকে নির্বাচন করেন,”

يَجْتَبِي إِلَيْهِ مَن يَشَاء وَيَهْدِي إِلَيْهِ مَن يُنِيبُ* اللَّهُ (42-13)

“যাকে চান তাকে নিজের জন্যে নির্বাচন করে নেন, আর যে প্রত্যাবর্তন করে তাকে পথ দেখান।”

প্রথমত ঈমান পাওয়াই একটা নির্বাচন, নামাজ-রোযা করতে পারা এগুলো নির্বাচন। দাওয়াত এর কাজে শরীক হতে পারা একটা নির্বাচন, এগুলো আল্লাহ্ তায়ালার এহসান। এই সব কিছুর পরে যে কোন জমানায় দ্বীনের কাজের হেফাজতের জন্যে কাউকে নেওয়া, এটা আল্লাহ্ তায়ালার তরফ থেকে একটা বহুত বড়, খুবই বিশিষ্ট ধরনের নির্বাচন। আল্লাহ্ তায়ালা বিভিন্ন জমানায় বড় সংকটের সময় তাঁর খাস বান্দাদেরকে দ্বীনের হেফাজতের জন্যে নির্বাচন করেছেন।

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাতের পর গোটা উম্মত যখন বিভ্রান্ত, তখন আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু এসে সবাইকে শান্ত করেছেন। আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকেই ব্যবহার করেছেন এই বিভ্রান্তির সময় উম্মতকে শুদ্ধ পথ দেখাবার জন্য। এরপরই শুরু হলো ইরতেদাত যাকাত নিয়ে; যে আমরা যাকাত দিব না। এটা একটা হুকুমের অস্বীকার ছিল, একটা হুকুম পালনে অপারগতা নয়। যাকাত যদি কেউ না দেয় (এ যমানায় বহুত মুসলমান যাকাত দেয় না), কোন মুফতি তার উপর মুরতাদের ফতওয়া দেবে না। ওখানেও আবার আল্লাহ্ তায়ালা আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তাআলা আনহু কে ব্যবহার করেছেন, দ্বীনের হেফাজতের জন্য। আর তখন এই আবু বকর সিদ্দীক রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহুর বহুত মশহুর কথা ছিল,

“আ ইয়ানকুসুদ্দীন ওয়াআনা হাই”                                            “দ্বীনের ক্ষতি হবে, আর আমি জীবিত ?”

নিজের জীবন দিয়েছেন দ্বীন রক্ষা করার জন্য। সংকটের সময় আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর বান্দাদেরকে ব্যবহার করেছেন; এক এক সময় এক এক জনকে। কা’দিসিয়ার যুদ্ধের সময়ে মুসলমানদের পরাজয়ের অবস্থাকে বিজয়ে পরিবর্তিত করার জন্য ব্যবহার করলেন আবু মাহ্জান সাকাফী রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে। উনি মদ পান করতেন আর জিহাদের ময়দানে ছিলেনও না। কিন্তু আল্লাহ্ তায়ালা তাঁকেই বেছে নিলেন। উনি গিয়ে ময়দানের মধ্যে ঢুকে এমন হিম্মত দিলেন যে, গোটা ময়দানের অবস্থার পরিবর্তন হয়ে গেল। এটা আল্লাহ্র তরফ থেকে একটা নির্বাচন। বিভিন্ন যমানায় আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর প্রিয় বান্দাদেরকে দ্বীনের হেফাজতের জন্য নির্বাচন করেছেন। কোরআন শরীফ সংকলনের জন্য ওমর রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করলেন, উনি প্রস্তাব দিলেন কোরআন শরীফ সংকলন করা হোক। এর পরবর্তী কালে দ্বীনের ময়দানে বহুত বড় অবদান মাওলানা ইলিয়াস রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর, এটাও দ্বীনের হেফাজতের জন্যই আল্লাহ্র পক্ষ থেকে নির্বাচন। সমসাময়িক আল্লাহ্ ওয়ালাদের মধ্য থেকে আল্লাহ্ তাআ’লা এই বিশেষ মর্যাদার জন্য হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহমাতল্লাহি আলাইহি কেই নির্বাচন করেছেন।এই বহুত বড় মেহনত বিরাট সংকটের মধ্যে পড়ে গেছে, যে সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা সবাই এখানে একত্রিত। এটা শুধু একজন মানুষের কিছু অপকর্ম নয়, সম্পূর্ণ কাজ ধ্বংসের পথে। একজন মানুষের অপকর্ম যদি হতো, তা আমাদের অত মাথা ঘামানোর ব্যপার ছিল না; কিন্তু সম্পূর্ণ কাজ নষ্ট হওয়ার পথে।

আর বাংলাদেশের কাজ নষ্ট হয়ে গেলে, বাকি তবলীগও দুনিয়াতে টিকে থাকা মুশকিল হবে। কারণ দ্বীন একটা জীবন্ত জিনিষ, আর জীবন্ত জিনিষের বড় অংশ না থাকলে বাকী অংশ টিকে না। বাংলাদেশের তবলীগ বলা যেতে পারে যে, সম্পূর্ণ আলমী তবলীগের এক তৃতীয়াংশ, সংখ্যা ইত্যাদির দিক থেকে। আর কোন কোন দিক থেকে আরও বড়। টঙ্গি ইজতেমার সময় পুরা দুনিয়ার মাশওয়ারা এখানেই হয়। আল্লাহ্ তায়ালা এমন কিছু অবস্থা সৃষ্টি করেছেন যে, অন্য কোন দেশে দুনিয়ার সবার আসা মুশকিল; একত্রিত হতে পারে না। বাংলাদেশে প্রায় সব জায়গা থেকে আসতে পারে। এই সুবিধা থাকার কারণে প্রধান আলমী মাশওয়ারা গুলো বাংলাদেশেই হয়। তাই বাংলাদেশের তবলীগের সংরক্ষন বা হেফাজত আসলে আলমী তবলীগের হেফাজত। এতবড় কাজ আর আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করেছেন আমাদের মত নগন্য মানুষকে। সমস্যাতো অনেক দিনের; কিন্তু সমাধানের জন্য কেউ এগিয়ে আসেননি। আমাদের এগিয়ে আসা, আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ।

আবু মাহ্জান সাকাফী রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু; এত জন বড় বড় সাহাবী থাকতে আল্লাহ্ তায়ালা নির্বাচন করলেন তাঁকেই, যিনি মদ পান করতেন। আর তাঁকে দিয়েই আল্লাহ্ তায়ালা এতবড় কাজ করালেন। আর এই কাজের উসিলায় আল্লাহ্ তাঁকে এ খারাপ অভ্যাস থেকে তওবাও নসীব করলেন।

আল্লাহর কাছে শুকর আদায় করা যে, আল্লাহ্ তায়ালা মেহেরবাণী করে আমাকে এই বড় কাজের জন্য পছন্দ করেছেন; আর যখন করেছেন, পু্রো গুরুত্ব ও আদবের সাথে তার হক্ক আদায় করার চেষ্টা করা উচিত। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দেহ মোবারককে যখন কিছু খ্রীষ্টানরা নিয়ে যেতে চাইল, তখন আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর হেফাজতের জন্য ব্যবহার করলেন নূরউদ্দীন জঙ্গী রহমাতুল্লাহি আলাইহি কে, অথচ উনি মদিনায় ছিলেনও না, মদিনায় আরও অনেক আল্লাহ্ ওয়ালারা ছিলেন, কিন্তু আল্লাহ্ তায়ালা মিশর থেকে উনাকে আনিয়ে হেফাজত করালেন। যখন করালেন উনি তার খুব কদর করলেন, খুব যত্নের সাথে করলেন, যারা এ অপকর্ম করতে চাচ্ছিলো, তাদের কতল অন্য কাউকে দিয়ে না করিয়ে নিজ হাতে করলেন। আদবের দাবী এটাই। খিদমত যেন নিজ হাতেই করে।

আল্লাহ তায়ালা মেহেরবানী করে আমাদেরকে এত বড় কাজের জন্যে নির্বাচন করেছেন। এর পুরা হক আদায় করবার চেষ্টা করা। দিল থেকে আল্লাহর কাছে শুকুর আদায় করা ও কদর করতে পারার তৌফিক চাওয়া ও কবুলিয়াতের জন্যে দোয়া করা। যদি এ দায়িত্বকে ঠিকমত আদবের সাথে আদায় করতে পারি, হয়তঃ এটাই আমার নাযাতের উসিলা হবে। হয়ত এ দায়িত্ব পালনই তরক্কীর উসিলা হবে। যেরকম মানুষ যিকির করে তরক্কী করে, গাশত্ করে তরক্কী করে, তালীমের মাধ্যমে তরক্কী করে বিভিন্ন ভাবে তার রুহানী তরক্কী হয়।

সাহাবাদের তা’লিম, তরবিয়ত ও তরক্কীর বড় অংশই হয়েছে সংকটের মোকাবেলার মাধ্যমে। গাল শোনা, মার খাওয়া সহ্য করার মাধ্যমে। আমাদের এই যমানায় মানুষ দ্বীনের মেহনত করবে, আর এ জন্য তাকে একটা চড় খেতে হবে বা গাল শুনতে হবে, এটা কোন ধারনার মধ্যেই ছিল না, কোন সুযোগই নাই। আল্লাহ তায়ালা সে সুযোগও করে দিয়েছেন। দ্বীনের মেহনতের মধ্যে মোকাবেলার সম্মুখীন হওয়া, এটাকে কদর করা, আর কদর আগ্রহের সাথে করা। কবি লবীদের কবিতার বিরুদ্ধে বলার কারণে উসমান ইবনে মাদঊন রাযিআল্লাহু তায়ালা আনহু কে উবাই বিন খলফ ঘুষি মারল। ঘুষি খেয়ে রক্ত জমে চোখ নীল হয়ে গেল। তাঁর চাচা বললেন যে “আমার আশ্রয়ে থাকলে তোমার এই অবস্থা হত না”। উনি বললেন, “আমার অপর চোখও এটারই আগ্রহী।” ইচ্ছা করে ঐ আশ্রয়কে বাদ দিয়েছেন যাতে মার খান। কারণ আশ্রয়ে থাকার কারণে উনি নিরাপদ, আর বাকি সবাই মার খাচ্ছেন। এই নিরাপদ থাকাই তাঁর কাছে ভাল লাগে নি। ঐ আশ্রয় প্রত্যাখ্যান করলেন মার খাওয়ার জন্যে। আমি বঞ্চিত থাকব কেন? দুনিয়ার মানুষ যেরকম মনে করে, আমার ভাগ পাব না কেন? সবাইকে দিচ্ছে, আমাকে দেবে না কেন? উনি ওরকমই ভাবলেন, সবাই মার খাচ্ছে, আমি খাব না কেন? আমারও হক্ব আছে। নিজে হক্ব নেওয়ার জন্য চাচার আশ্রয়কে উনি পরিত্যাগ করলেন। প্রথমে একাকি, তারপর বাজারে গিয়ে প্রকাশ্যে, যেন সবাই জানে যে আমি এখন উন্মুক্ত, আমি এখন মার খেতে পারি। যে কেউ যেন আমার উপর হাত তুলতে সাহস পায়। ঠিকই মার খেলেন, আর উনি তার কদর করলেন।

আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের কে দ্বীনের কদর করার তৌফিক নসীব করুক। আমীন.

سُبْحَانَ اللّهِ وَ بِحَمْدِهَ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْك  سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُون وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينََ

২৯ Comments

  1. Erstellen Sie noch heute ein Konto und spielen Sie Rolletto-Casinospiele auf Ihre Weise.
    Das mehrstufige Treueprogramm belohnt nicht nur Vielspieler, sondern steht auch Gelegenheitsspielern offen. Mit der Rolletto Casino App – als mobile optimierte
    Web-App – spielen Sie bequem auf jedem Smartphone und Tablet.

    Rolletto Casino überzeugt mit einer riesigen Auswahl an Slotmaschinen,
    Tischspielen, Live-Dealer-Games und modernen Instant
    Win Spielen.
    Das Willkommenspaket von Rolletto Casino bietet viel
    Extra-Geld, ist aber mit strengen Regeln verbunden. Dieser Bonus bietet zwar einen Anreiz, aber
    die hohen Einsatzanforderungen und Spielbeschränkungen können ihn weniger attraktiv machen. Die Gültigkeit der Freispiele von 72
    Stunden erfordert schnelles Handeln.
    Wenn Sie sich fragen, wo Sie anfangen sollen, finden Sie hier
    einige der besten Slots, die einen Blick wert
    sind. Genießen Sie 350 Freispiele ohne Wetteinsatz bei Spielen wie Eye of Horus, Fishin’ Frenzy
    und mehr. Insgesamt bietet Rolletto ein entspanntes,
    stressfreies Erlebnis. Die Registerkarten „Casinospiele“, „Live-Dealer“, „Sportwetten“ und „Aktionen“ sind alle übersichtlich angeordnet.
    Alles ist leicht zu finden, da alle Symbole ordentlich angeordnet
    sind. Egal, ob Sie neu oder erfahren sind, im Rolletto Online
    Casino finden Sie ein reibungsloses Erlebnis.

    References:
    https://online-spielhallen.de/umfassende-locowin-casino-bewertung-ein-spielerbericht/

  2. Other reviewers responded negatively, including
    Tim Adams of The Observer, who felt the film came off uncomfortably in an attempt to make the series grittier.

    Entertainment Weekly named the film as the fifth best of the series, and chose Vesper
    Lynd as the fourth best Bond girl in the
    series. During production, Craig had been subject to debate by the media and the public,
    as he did not appear to fit Ian Fleming’s original portrait of the character as tall, dark and suave.
    The film earned $167.4 million in the United States and Canada and $438.6 million from international territories, for a total
    of $606 million worldwide. At the end of its
    box-office run, the film had grossed £55.4 million, making it the most successful film of the year in the UK, and, as of 2011, the tenth-highest-grossing film of all time in the country.

    On 14 October 2005 Eon Productions, Sony Pictures Entertainment,
    and MGM announced at a press conference in London that Craig
    would be the sixth actor to portray James Bond.
    A year beforehand, Craig rejected the idea of starring, as he felt the series had descended into formula; only when he read the
    script did he become interested. Australian actor Sam
    Worthington and Scottish actor Dougray Scott were also considered.

    References:
    https://blackcoin.co/top-online-casinos-with-instant-withdrawal-payouts-2025/

  3. They monitor the gaming floor 24 hours a day, 7
    days a week and have access to all CCTV cameras. The Casino Division helps ensure the Melbourne casino operator
    upholds the spirit and not just the letter of the law, and is honest, trustworthy and transparent in all its dealings.
    It ensures that the casino complies with all its regulatory obligations and operates safely, fairly, and free from criminal influence.
    We also issued directions to improve practices regarding bank and blank cheques, identity and probity checks for premium players and introduce mandatory
    carded play for poker machines. Details of penalties and
    disciplinary fines (including the reasons for our decisions) are published on our website.
    We have already used these powers to take disciplinary action against Crown Melbourne six times, resulting in $252
    million in fines.
    We conduct a thorough investigation of the casino operator every
    five years, as required by the Casino Control Act 1991, also known as reviews.

    These standards cover poker machines, table games, monitoring systems, and other gaming equipment.
    Learn about the technical standards ensuring the integrity of gaming operations at Crown Melbourne.
    Understand the legal framework and regulations governing Crown Melbourne’s casino operations.

    Located 4.8 km from Marvel Stadium, Louis lodge offers accommodation with a terrace.
    Located just a short journey from Melbourne City Centre, this
    motel offers peaceful, air-conditioned accommodation and high-tech
    amenities in the district of Abbotsford.
    Boasting a fitness centre, Brady Apartment Hotel Hardware Lane is situated in the
    centre of Melbourne, 500 metres from Melbourne City Conference Centre.
    Located in Melbourne CBD, Adina Apartment Hotel
    offers modern self-contained apartments. Mercure
    Welcome Melbourne is located right on the Bourke Street Mall, in Melbourne’s CBD (Central Business
    District) and within 4 minutes’ walk of Emporium Shopping Centre.

    Situated in the heart of central Melbourne, just 200 metres from Bourke Street Mall,
    ibis Budget – Melbourne CBD offers air-conditioned rooms with a
    flat-screen TV and a private bathroom.

    References:
    https://blackcoin.co/golden-crown-casino-australia-in-depth-review/