মালফুজাতে হযরতজী মাওলানা ইউসুফ (রহঃ) বইটিতে তাবলীগ জামাতের দ্বিতীয় আমীর হযরতজী মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ কান্ধলভী (রহঃ)-এর ২৩৫টি বাণী (মালফুজাত) সংকলিত হয়েছে। প্রতিটি বাণীর সাথে মূল উৎসগ্রন্থের নাম ও পৃষ্ঠা নম্বর দেওয়া আছে। পড়ার সুবিধার জন্য বাণীগুলো ১২টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে।
সংকলন: মুফতি রওশন শাহ কাসেমী। অনুবাদ: ইসহাক ওবায়দী। প্রকাশক: বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স, ঢাকা। বইটির স্ক্যান কপি archive.org-এ পাওয়া যাবে।
সূচিপত্র
পর্ব ১: বাণী ১–২০
- ১. আল্লাহ থেকে হওয়ার একীন নিজের মধ্যে সৃষ্টি করার পদ্ধতি
- ২. প্রতিটি বস্তুকে আল্লাহ পাক আপন কুদরত দ্বারা বানিয়েছেন
- ৩. আল্লাহর কুদরত থেকে ফায়দা হাসিলের পদ্ধতি
- ৪. আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত প্রয়োজনাদির মীমাংসার তরীকা
- ৫. এখলাস সৃষ্টি করার তরীকা
- ৬. তাবলীগ কি?
- ৭. গোনাহ থেকে বাঁচার নুসখা (ফর্মুলা)
- ৮. আল্লাহর বানানোর দ্বারা জীবন গড়ে
- ৯. বস্তুসমূহ অস্থায়ী, আর আল্লাহর কুদরত স্থায়ী
- ১০. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লার উদ্দেশ্য বা মর্ম কি?
- ১১. আল্লাহ একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী, যে কোন বস্তুর মাধ্যমে যে কোন ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে পারেন
- ১২. আল্লাহর কাছে বড় শক্তিসমূহের অবস্থান
- ১৩. এটম বোম দ্বারা ওটাই হবে যা আল্লাহ চাইবেন
- ১৪. আল্লাহ চাইলে ধ্বংস ও অপমানের বস্তুকে লালন-পালন ও সম্মানের বস্তুতে পরিণত করতে পারেন
- ১৫. ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত অবস্থা বিশুদ্ধ হবার একক ভিত্তি
- ১৬. নিজের মধ্যে সূর্যের গুণাবলী সৃষ্টি করো
- ১৭. দ্বীন একমাত্র দাওয়াতের রাস্তায় ত্যাগ ও কোরবানী দ্বারা এবং দোয়ার মাধ্যমে চমকাবে
- ১৮. এটা মুল্ক্ ও মালওয়ালা রাস্তা নয়
- ১৯. এই খেয়াল ভুল যে, মুলক ও মাল হাতে আসলে পর ইসলাম চমকাবে
- ২০. বস্তুর পরিবর্তে নিজের শরীরের ওপর মেহনত করবে
পর্ব ২: বাণী ২১–৪০
- ২১. নিজের শরীরের ওপর মেহনত করার উপকারিতা
- ২২. আল্লাহর ওয়াস্তে একত্রিত হওয়ার উপকারিতা
- ২৩. আমলের আগে দেখা উচিত যে, এই আমল হুজুর (স)-এর দরবারে কিভাবে ছিলো
- ২৪. সৃষ্টিজগত প্রতিটি অবস্থায় স্রষ্টার মোহতাজ
- ২৫. আল্লাহর জন্য কোন কাজ কঠিন নয়
- ২৬. যতোক্ষণ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে আখলাক আসবেনা, ততোক্ষণ পর্যন্ত অন্যদের মধ্যে দ্বীন প্রসার লাভ করবেনা
- ২৭. দরিদ্র লোকেরা এই আমলের শক্তি ও প্রাণ
- ২৮. আমরা প্রচলিত নিয়মের কোন ভিন্ন দল তৈরী করিনি
- ২৯. যা কিছু বস্তু থেকে হয় বলে দৃশ্যমান হয়, তা আল্লাহর হুকুমে হয়
- ৩০. আল্লাহর আত্মীয়তা কারো সাথে নেই, তাঁর ওখানে কিছু নিয়ম কানুন শুধু আছে
- ৩১. পরস্পরে ভাঙ্গন সৃষ্টিকারী বস্তুসমূহ
- ৩২. দাওয়াতের কাজের দাবী আদায় করলে এক যবরদস্ত বিপ্লব দেখা দেবে
- ৩৩. সাথীদের খুবীগুলোর প্রতি আমাদের দৃষ্টি থাকা চাই
- ৩৪. হুজুর (স)- এর তরীকা ব্যতীত মাল-দৌলত তো পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু প্রশান্তি কখনো পাওয়া যাবেনা।
- ৩৫. চোখ শুধু প্রত্যেক বস্তুর কায়া দেখে, আসলকে দেখেনা
- ৩৬. আসল জিনিস আল্লাহর সিদ্ধান্ত এবং তাঁর সাহায্য
- ৩৭. আল্লাহ তায়ালার সাহায্য কখন আসে?
- ৩৮. তাবলীগের উদ্দেশ্য
- ৩৯. আমাদের সমস্যা কখন ঠিক হবে?
- ৪০. সর্বাবস্থায় আল্লাহর সাথেই সম্পর্ক কায়েম করা চাই
পর্ব ৩: বাণী ৪১–৬০
- ৪১. দাওয়াতী মেহনতের উদ্দেশ্য
- ৪২. মেহনত পরিমাণ হেদায়েত ছড়াবে
- ৪৩. হুজুর (স)-এর নিকটবর্তি কে হবে?
- ৪৪. তিন দিন লাগানো দ্বারা ত্রিশ দিনের সাওয়াব হবে
- ৪৫. ভিন্ন ধর্মীরা ইসলামের মধ্যে কখন প্রবেশ করবে?
- ৪৬. ধর্মকে মানুষ সমষ্টির কাছ থেকে গ্রহণ করে
- ৪৭. মহল্লা হজরত নেজামুদ্দীনে পরামর্শের জন্য ডাকার কারণ
- ৪৮. খারাপ স্বভাব থেকে বাঁচার উপায়
- ৪৯. আলেমদের তাবলীগে কম শরীক হওয়ার কারণ
- ৫০. এ কাজ যাঁরা করবেন, তাঁদের একীন কেমন হওয়া উচিত?
- ৫১. এই কাজ রেওয়াজী পদ্ধতির বিপরীত
- ৫২. এজতেমাগুলো কিভাবে করা হবে?
- ৫৩. তাবলীগের উদ্দেশ্য কি?
- ৫৪. সামান্য বস্তু কোরবান করার দ্বারা যবরদস্ত ভালোর আশা
- ৫৫. তাবলীগের রাস্তায় বনী ইসরাঈলের নবীদের মতো দোয়া কবুল হয়
- ৫৬. আসল কাজের আকৃতি
- ৫৭. দাওয়াতের কাজের প্রাথমিক নেসাব
- ৫৮. ব্যক্তি তো শেষ হবার জন্যই হয়
- ৫৯. তাবলীগি চেষ্টা মেহনতের উদ্দেশ্য
- ৬০. তাবলীগি কাজ দ্বারা দ্বীনি পরিবেশ বনবে
পর্ব ৪: বাণী ৬১–৮০
- ৬১. ইউরোপ-আমেরিকা ইত্যাদি দেশে মেহনত করার জন্য কেমন ব্যক্তির প্রয়োজন?
- ৬২. দ্বীনের নকশা এই সমস্ত জিনিসের ওপর আমল করার দ্বারা অস্তিত্বে আসবে
- ৬৩. একীন তো প্রতিটি ওয়াদার ওপরই কর, কিন্তু উদ্দেশ্য বানাবেনা
- ৬৪. এজতেমাসমূহে লোকদেরকে কোন্ ভিত্তির ওপর আনা হবে?
- ৬৫. সফলতার বাধ্যবাধকতা কিসের ওপর?
- ৬৬. নামাজকে জানদার করার পদ্ধতি
- ৬৭. এলেম ও জিকিরের গুণ নিজের মধ্যে সৃষ্টি করার পদ্ধতি
- ৬৮. এলেমের ব্যবহার যদি সহী না হয়, তাহলে ক্ষতি আছে
- ৬৯. বোখারী শরীফের খতমের সময় হজরতজী-র বয়ান
- ৭০. উমুমী গাশ্ত্ করার পদ্ধতি
- ৭১. গাশ্তের আদবসমূহ
- ৭২. খুসুসী গাশ্তের পদ্ধতি
- ৭৩. ইসলামী সমাজ বানানোর পদ্ধতি
- ৭৪. সত্য অভাব-অনটন ও দারিদ্রের কষ্টসমূহের মধ্যে চমকায়
- ৭৫. তালীমের আদবসমূহ এবং তার পদ্ধতি
- ৭৬. হুজুরে পাক (স)-এর দাওয়াত
- ৭৭. ইসলামের মধ্যে যে সমস্ত আমলের হুকুম দেয়া হয়েছে তা চার রকম
- ৭৮. দুনিয়ার উন্নতি বস্তুর ওপর মেহনতের ফল
- ৭৯. উম্মতের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টিকারী জিনিস
- ৮০. আমাদের পূর্বসূরীদের এখানে পরিচিতির পদ্ধতি
পর্ব ৫: বাণী ৮১–১০০
- ৮১. ইসলামী মেজাজ বানানোর পদ্ধতি
- ৮২. এই কাজের সাথে জুড়তে থাক, আমার দেহ তো অস্থায়ী
- ৮৩. তাকওয়া সৃষ্টি করে আল্লাহ থেকে লওয়াই সঠিক রাস্তা
- ৮৪. যাদের মধ্যে নেয়ার মন-মানসিকতা, তাদের মধ্যে দেয়ার পদ্ধতি কিভাবে চলবে?
- ৮৫. তর্ক-বিতর্ক এবং মতভেদওয়ালা মাস্লা-মাসায়েল থেকে বাঁচা চাই
- ৮৬. মৌলিক বিষয় এবং শাখা প্রশাখা উভয়ের শিক্ষাদান
- ৮৭. এই দ্বীনি কাজের উদ্দেশ্য
- ৮৮. মেশিন প্রস্তুতকারীই তার ব্যবহার বা চালানোর পদ্ধতি বলে দেয়
- ৮৯. যদি নেয়ার মনোভাব হয়, তাহলে নষ্টই নষ্ট হবে
- ৯০. জুমার নামাজ না পড়ার ওপরও এতোটা ধর-পাকাড় হবেনা, যতোটা উম্মতের ঐক্য ভাঙ্গার ওপর হবে
- ৯১. উম্মত কোন একটা গোষ্ঠি এবং এলাকার বাসিন্দাদের নাম নয়
- ৯২. যা কুদরত দ্বারা গঠিত হয়েছে তা কুদরতের অধীন
- ৯৩. আল্লাহর কুদরত দ্বারা সরাসরি উপকৃত হওয়ার পদ্ধতি
- ৯৪. অমুসলিমদের মধ্যে দাওয়াতের কাজ শুরু না করার কারণ
- ৯৫. হুজুর (স)-এর মেহনতের ময়দান কেয়ামত পর্যন্ত আগমনকারী সমস্ত জাতিসমূহ
- ৯৬. হুজুর (স)-এর তরীকা ও পদ্ধতির কারণে তোমাদের এই ঝুপড়িগুলো মূল্যবান হয়েছে
- ৯৭. আমাদের একীনের অবস্থা
- ৯৮. কামিয়াব হওয়ার নিয়ম-কানুন সবার জন্য সমান
- ৯৯. নিজেদের চাল-চলনকে নবীদের চাল-চলনের সাথে বদলে ফেল
- ১০০. তাবলীগের মধ্যে বয়ান কেমন হবে? বা কেমন হওয়া চাই
পর্ব ৬: বাণী ১০১–১২০
- ১০১. মানুষের জীবন সঠিক পন্থার ওপর আসার জন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচী
- ১০২. মুসলমানের একরাম বা সম্মান করার গুণ সৃষ্টি করার পদ্ধতি
- ১০৩. যাদের মধ্যে মেহনত করা হচ্ছে তাদের কাছ থেকে কোন জিনিসের আকাঙ্খী না হওয়া
- ১০৪. কলেজ (ভার্সিটি)র ছাত্রদের মধ্যে কাজের পদ্ধতি
- ১০৫. তশকীল করার পদ্ধতি
- ১০৬. মহিলাদের কাজ
- ১০৭. বয়ানের মধ্যে আম্বিয়া (আঃ)-দের এবং সাহাবায়ে কেরাম (রা) দের ঘটনাবলীর উল্লেখ থাকা চাই
- ১০৮. মুসলমানদের দ্বীনের ওপর আমল না করার কারণ
- ১০৯. ঈমান কোন্ জিনিসের নাম?
- ১১০. সর্বোত্তম এবাদত
- ১১১. একটি এজতেমায় বয়ান করার সময় হজরতজীর ভিজে যাওয়া
- ১১২. হজরতজী (র)-এর বিনয়
- ১১৩. প্রত্যেক শ্রেণীতে জোড়-মিলের জন্য হুজুর (স)-এর তরীকা (কার্যকরী)
- ১১৪. কুতুব এবং আবদাল হওয়ার রাস্তা
- ১১৫. আমরা দা’য়ী তৈরী করছি
- ১১৬. হুজুর (স) ওয়ালা আমল ব্যতীত সব আসবাব বে-জান মুর্দা
- ১১৭. কোরআন-হাদীস শোনার আদবসমূহ
- ১১৮. আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করার উৎসাহ
- ১১৯. ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা কখন বাস্তবায়িত হবে?
- ১২০. মেহনতের নকশা অস্তিত্বে এসে গেলে জাতিসমূহ ইসলামের মধ্যে প্রবেশ করে ফেলবে
পর্ব ৭: বাণী ১২১–১৪০
- ১২১. দাওয়াত কবুল করার নিয়ম-কানুন
- ১২২. দুনিয়ার সমস্ত শাখা-প্রশাখা সুন্নতের আকৃতিতে কখন জিন্দা হবে?
- ১২৩. সাহায্য কখন নাজিল হয়?
- ১২৪. আল্লাহর পক্ষ থেকে যা (বালা-মুসীবত) আসে, তাতে বান্দার জন্য মঙ্গল লুকায়িত থাকে
- ১২৫. দ্বীনের আমলসমূহ উম্মতের দিকে দুটি লাইনে মোতাওয়াজ্জুহ হয়
- ১২৬. আল্লাহর অস্তিত্বের সামনে প্রত্যেকটি জিনিস তুচ্ছ এবং হাকীকতবিহীন
- ১২৭. আমরা অন্ধ, হজরত মোহাম্মদ (স) দৃষ্টিমাণ
- ১২৮. হজরতজী (র)-এর আম্মাজানের শিক্ষাদান বা তরবিয়তের ঢং
- ১২৯. এই রাস্তার ওপর চলার জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদের প্রয়োজন
- ১৩০. দাওয়াত ওয়ালা আমলের যবরদস্ত ইতিহাস
- ১৩১. আমরা আমাদের সাথে জুড়তে চাইনা
- ১৩২. ব্যক্তিগত অবস্থা শুদ্ধ হওয়া সমষ্টিগত অবস্থা শুদ্ধ হবার ওপর মুলতবি
- ১৩৩. নিজের ব্যক্তিগত সমস্যায় লিপ্ত হওয়াই সমষ্টিগত নষ্টের কারণ
- ১৩৪. অল্প সামান্য কষ্ট সহ্য করার দ্বারা সবসময়ের কষ্ট থেকে মুক্তি
- ১৩৫. সমষ্টিগত ও ব্যক্তিগত অবস্থা কখন ঠিক হবে?
- ১৩৬. ঐ সমস্ত জিনিস থেকে আমাদের উদ্দেশ্য সমাধা হবেনা
- ১৩৭. জিহ্বা যা অন্তরে থাকে তাও বলে, আবার যা শুধু জিহ্বার মধ্যে থাকে তাও বলে
- ১৩৮. মুল্ক্ ও মালের টুকরার মধ্যে কোন কামিয়াবী নেই
- ১৩৯. আসল কামিয়াবীর যে গ্যারান্টি তা তো হুজুর (স)-এর তরীকার মধ্যে
- ১৪০. ওলি আল্লাহর উঁচু দরজা
পর্ব ৮: বাণী ১৪১–১৬০
- ১৪১. আমরা এটা চাইনা যে, বোখারী শরীফ পড়ানেওয়ালাদেরকে আত্তাহিইয়াতু শেখানোর কাজে লাগাবো
- ১৪২. আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া যে কোন নিয়তে আমল করা অহংকার বা আড়ম্বর
- ১৪৩. হুজুর (স)-এর সামাজিক আদান প্রদানের ভিত্তি পবিত্রতা, সরলতা এবং লজ্জা শরমের ওপর।
- ১৪৪. নেবার লোক বদলে গেছে কিন্তু দেনেওয়ালা তো বদলায়নি
- ১৪৫. এটা আমার সাথে এক প্রকারের জুলুম
- ১৪৬. আমাদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ইয়োরোপ এবং এশিয়ার জাতিসমূহ ইসলামে প্রবেশ করুক
- ১৪৭. আমাদের কাজ জনসাধারণের জান এবং মালকে ইসলামের প্রচার-প্রসারের কাজে লাগানো
- ১৪৮. এই উম্মতের ওপর বিশেষ রহমত
- ১৪৯. দাওয়াত ওয়ালী মেহনত বাদ পড়ার কারণে প্রত্যেকটা বস্তু রুসুম-রেওয়াজী হয়ে গেছে
- ১৫০. আজাব থেকে বাঁচার আসল উপায় নিজের মধ্যে ঈমান সৃষ্টি করা
- ১৫১. মুল্ক্ ও মালকে বাঁচানোর রাস্তা
- ১৫২. হুজুর (স) আমাদেরকে যে সমস্ত উঁচু নিয়ম কানুনের সাথে অভ্যস্ত করেছেন তা স্বয়ং নিজেই প্রিয়
- ১৫৩. পেরেশানী থেকে মুক্তির রাস্তা
- ১৫৪. উম্মতের পেরেশানীর কারণ
- ১৫৫. আসল মোটা মোটা আমলের ওপর মেহনত করা চাই, শরীয়তের অংশ বিশেষকে উৎপীড়ন করা উচিত নয়
- ১৫৬. কারো সামান্য জিনিসও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করবেনা
- ১৫৭. দৌড়-ঝাঁপ বা হরকতের মধ্যে ফেতনা থেকে হেফাজত আছে
- ১৫৮. অবস্থাসমূহ সঠিক হবার পন্থা
- ১৫৯. টাকা চাইনা, মানুষ চাই
- ১৬০. হজ্ব বিধানের প্রভাব সমস্ত জাগতিক সিস্টেমের ওপর পড়ে
পর্ব ৯: বাণী ১৬১–১৮০
- ১৬১. আফসোস! পৃথিবীর কোন একটা অংশ যদি এমন পাওয়া যেতো, যেখানে ইসলাম তার সঠিক অবয়বের সাথে নজরে আসতো
- ১৬২. মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস (র) এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেব (র)-এর মধ্যে মরতবার পার্থক্য
- ১৬৩. উম্মতের মূর্খতা দূর করার ফর্মুলা
- ১৬৪. উম্মতের প্রতিটি শ্রেণী আপন আপন জীবনের শৃঙ্খলা যেনো কায়েম করে
- ১৬৫. দুনিয়াতে ফেতনা আসার কারণ
- ১৬৬. এই দাওয়াত ওয়ালা কাজ আগুনের ওপর পানি ঢেলে দেয়
- ১৬৭. উম্মতকে টুকরা করার জিনিস হলো লেনদেন ও সামাজিক আচার-আচরণের নষ্টামীসমূহ
- ১৬৮. একে অপরের বেশী মাখামাখি বা বেতাকাল্লুফী অন্তর সমূহকে ভাঙ্গার কারণ হয়
- ১৬৯. উম্মতের অবস্থা
- ১৭০. বিমানের পরিবর্তে রেলগাড়িতে সফর করা
- ১৭১. সমষ্টিগত ব্যবস্থাপনা বিগড়ে যাবার অবস্থায় আওলিয়া কেরামের দোয়াও অবস্থার পরিবর্তন করতে পারবে না
- ১৭২. একে অপরের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির চিকিৎসা
- ১৭৩. আশ্চর্যজনক রহস্য
- ১৭৪. বর্তমানে উম্মতের মধ্যে ভাল-মন্দ, নেকী-বদীর পার্থক্য বাকী থাকেনি
- ১৭৫. সমস্ত ব্যবস্থাপনা ঠিক হয়ে যাওয়া উদ্দেশ্য
- ১৭৬. বস্তু ক্ষতি ও উপকার সাধনে আল্লাহর মুহ্তাজ
- ১৭৭. হজরতজীর এন্তেকালের কয়েক মিনিট আগের অবস্থা
- ১৭৮. সুন্নত মোতাবেক পেশাব-পায়খানা করার মধ্যেও নূর আছে
- ১৭৯. বান্দার কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মেহনত করা
- ১৮০. তর-তাজা হবার দরজা কখন খোলা হবে?
পর্ব ১০: বাণী ১৮১–২০০
- ১৮১. মুসীবত থেকে মুক্তি এ মেহনতকে জীবিত করার মধ্যে নিহিত
- ১৮২. বলা-মুসীবতের এলাজ বা চিকিৎসা
- ১৮৩. আমাদের দায়িত্ব কি?
- ১৮৪. এই কাজের প্রসারের জন্য কঠিন মেহনতের প্রয়োজন
- ১৮৫. জগত বাসীদের ওপর বলা-মুসীবত অবতীর্ণ হওয়ার কারণসমূহ
- ১৮৬. ঈমানের জন্য মেহনত করার প্রভাবসমূহ
- ১৮৭. সমস্ত জগতকে অধীনস্থ করে দেয়ার ওয়াদা
- ১৮৮. ভেতরের দরদ ও বে-চাইনি থেকে এ সমস্ত প্রভাব পড়বে
- ১৮৯. গাশতের আমল এ কাজের মধ্যে মেরুদন্ডের হাড্ডির মত গুরুত্ব রাখে
- ১৯০. ইসলাম কখন প্রসার লাভ করবে?
- ১৯১. জিহ্বা অন্তরকে জোড়া ও দেয়, আবার ছিঁড়েও ফেলে
- ১৯২. কিতাবের সাথে লেগে থাকার অবস্থা
- ১৯৩. আমল ওয়ালা জীবন ফাজায়েল দ্বারা সৃষ্টি হয়
- ১৯৪. আমরা (মাদ্রাসায়) পড়ানোকে বুনিয়াদী বা ভিত্তিমূলক কাজ মনে করি
- ১৯৫. সীমাবদ্ধ জায়গায় অসীম চাহিদাকে পুরা করা যায় না
- ১৯৬. হুজুর (স) অধিকাংশ সৈন্যদল দাওয়াতের জন্য পাঠিয়েছিলেন
- ১৯৭. খায়রুল কুরুনে পরিচিতি পদ্ধতি
- ১৯৮. সাহাবায়ে কেরাম (রা)-এর ২৪ ঘন্টা ভাগ করে নেয়ার কম দরজার তরতীব
- ১৯৯. দেওবন্দ, সাহারান পুরে জামাত পাঠানোর কারণ
- ২০০. বদরের যুদ্ধের তারিখে জামাত বের করার আমল তরক করার কারণ
পর্ব ১১: বাণী ২০১–২২০
- ২০১. নিয়ম ঠিক ছিল এবং ফরজও আদায় হয়ে গেছে
- ২০২. কামিয়াবী ধন-দৌলতের মধ্যে নয়
- ২০৩. আমরা তোমাদেরকে তালীম থেকে সরাতে চাই না
- ২০৪. দাঙ্গা-হাঙ্গামার সময় বেশী বেশী জামাত পাঠানোর কারণ
- ২০৫. দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও ফাসাদ ওয়ালা জায়গাতে জামাত যাওয়ার কারণে ফাসাদ বন্ধ হয়ে যাওয়া
- ২০৬. হেজাযে মোকাদ্দাস বাসীদেরকে লক্ষ্য করে বললেন
- ২০৭. দ্বীনের শত্রুদের ষড়যন্ত্র
- ২০৮. আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখায় দুনিয়াবী উপকার
- ২০৯. আল্লাহর সিদ্ধান্তকে দুনিয়ার কোন শক্তি বাধা দিতে পারে না
- ২১০. দেশীয় এবং বংশীয় জয্বা দ্বারা উম্মতের ঐক্য নষ্ট হয়
- ২১১. একা নিভৃতে কলেমা শরীফকে আজমতের সাথে পড়ার উপকার
- ২১২. নামাজ আমাদের জীবনে কখন প্রভাব বিস্তারকারী হবে?
- ২১৩. এলেম দ্বারা কি উদ্দেশ্য?
- ২১৪. একরাম কি?
- ২১৫. এখলাসে নিয়ত
- ২১৬. জিকিরের অর্থ—আল্লাহর ধ্যান সৃষ্টি করা
- ২১৭. সময় বের করা
- ২১৮. বেহুদা কথা ও কাজ থেকে বেঁচে থাকা
- ২১৯. ইসলামী আমলের তরতীব কায়েম করার উপকারিতা
- ২২০. ইসলাম দুটি হরকতের ওপর চমকায়
পর্ব ১২: বাণী ২২১–২৩৫
- ২২১. দোয়া কখন কবুল হয়?
- ২২২. চাওয়া এবং মনের চাওয়া থেকে বাঁচার পদ্ধতি
- ২২৩. হুজুর (স)-এর সামাজিক জীবন ও কেয়ামত পর্যন্তের জন্য এসেছে
- ২২৪. সৃষ্টির স্রষ্টা আল্লাহ, আর হুজুর (স)-এর অস্তিত্ব সৃষ্টির মূল
- ২২৫. আল্লাহর প্রশংসা দ্বারা কি পালা যায় না?
- ২২৬. পরহেজগারীর বরকতে আল্লাহ পাক মানুষের অন্তরকে পাল্টে দেন
- ২২৭. মৃত্যু সত্য, আর জীবন ধোঁকা
- ২২৮. বস্তুর চিন্তা করা আর আমলের চিন্তা না করা অত্যন্ত বড় ধোঁকা
- ২২৯. তোমার মেহনত আসল, সৃষ্টি জগত আসল নয়
- ২৩০. উদ্দেশ্য প্রণোদিত সেবা করা অনেক সহজ
- ২৩১. জিনিসের ওপর ভরসা করবে না, জিনিসকে মাবুদ বানাবে না
- ২৩২. জগদ্বাসীর অবস্থা ঠিক হবার উসিলা
- ২৩৩. মানুষ চারটি মূল পদার্থের সমষ্টি
- ২৩৪. হুজুর (স)-এর আচার-আচরণ থেকে আল্লাহ পাওয়া যাবে, অবস্থা ঠিক হবে
- ২৩৫. হজরতজীর আশা ও আরজু
অভিমত
মলফুজাত সম্পর্কে ফাজায়েলে আ’মালের লেখক ও তাবলীগের আজীবন মুরব্বী শেখুল হাদীস হযরত মাওলানা মুহাম্মদ যাকারিয়া সাহেব (র)-এর অভিমত
তিনি বলেন, তাবলীগের কাজ করনেওয়ালা বন্ধুদেরকে অপরিহার্যভাবে মিনতি জানাচ্ছি যে, হজরত মাওঃ ইলিয়াস (র) এবং হজরত মাওঃ ইউসুফ (র)-এর মলফুজাত ও বাণীসমূহ এবং উভয়ের জীবনী ও চিঠিপত্রসমূহ খুব গুরুত্বের সাথে সব সময় পড়ার জন্য হাতের কাছে রাখবেন। কেননা, এগুলো কাজ করনেওয়ালাদের জন্য বহু মূল্যবান মনিমুক্তা স্বরূপ। এই সমস্তের মধ্যে যেসব নিয়ম-কানুন রয়েছে, তার পাবন্দি করা কাজের উন্নতি সাধন ও বরকতের কারণ।
(জামাতে তাবলীগ পর এ’তেরাজাতকে জাওয়াবাত- পৃঃ ১২৫)
দেওবন্দের প্রধান মুফতি হজরত মাওঃ মুফতি মাহমুদ হাসান সাহেবের অভিমত
আল্লাহর নামে শুরু করছি। পর সমাচার, আল্লাহ তায়ালা যে সমস্ত মুখলেস বান্দাদের ফয়েজকে অনেক দিন পর্যন্ত বাকী রাখতে চান, তাঁদের নেক কাজগুলোকে জীবিত রাখেন। চাই বই আকারে হোক, চাই অন্য কোনভাবে। হজরত মাওঃ ইউসুফ সাহেব (র) ও এমনই একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব। আল্লাহপাক উত্তম বিনিময় দান করুক মুফতি রওশন সাহেবকে, তিনি হজরতজীর মলফুজাতের একটি ভাণ্ডার একত্রিত করে দিয়েছেন, যা ইনশাল্লাহ অনেক উপকারী হবে।
দেওবন্দ, ১৭/০৮/১৪১৫ হিঃ — ইতি, মাহমুদ
সংকলকের ভূমিকা
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম তাঁর সম্মানিত রাসূলের ওপর।
আল্লাহ ওয়ালাদের কথাবার্তা, তাঁদের বাণীসমূহ এবং তাঁদের বচনসমূহ বর্তমান বিশ্বেও মরা অন্তরকে জীবিত করার প্রভাব রাখে। তাঁদের বাণী পড়ে এবং শুনে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (স)-এর মহব্বতে উন্নতি সাধিত হয়। সাহাবায়ে কেরাম (রা)-এর ভালবাসা অন্তরে সৃষ্টি হয়। নেক আমলের জয্বা জাগ্রত হয়ে আখেরাতের একীন তাজা হয়। দুনিয়ার মহব্বত ঠাণ্ডা হয়ে যায়। আল্লাহর জিকির এবং সুন্নতের পাবন্দির উৎসাহ উদ্দীপনা জাগ্রত হয়। আখেরাতের চিন্তা অন্য সব চিন্তার ওপর বিজয়ী হয়। এ সমস্ত বুজর্গদের বাণী দ্বারা না শুধু কোরান হাদীসের আজমত অন্তরে শেকড় গাড়ে; বরং কোরান-হাদীসের অনেক রহস্য উদঘাটিত হয়। তাবলীগী কষ্ট-মেহনতের উপকারিতা সামনে আসে। আল্লাহর কলেমা এবং দ্বীনকে উঁচু করার অন্তরে এক আকাঙ্খা সৃষ্টি হয়।
বুজর্গদের বাণী ও চিঠিপত্রের মাধ্যমে বুজর্গদের কলবের অবস্থা এবং আভ্যন্তরীণ সূক্ষ্ম দৃষ্টিসমূহ এবং দ্বীন ইসলামের উন্নতি সাধনের জন্য কোরবানী ও জযবার পরিমাণ আমাদের সামনে এসে আমলের দাওয়াত দেয়। এই সমস্ত বুজর্গদের মধ্যেই হজরতজী মাওঃ ইউসুফ সাহেব (রহঃ)ও একজন, যিনি তাঁর আব্বাজান হজরত মাওঃ ইলিয়াস (রহঃ)-এর ইন্তেকালের পর ঐ সময়ের বড়দের পরামর্শক্রমে এই দাওয়াত-ওয়ালা বড় কাজের জিম্মাদারী আঞ্জাম দিয়ে আল্লাহর দ্বীনের পয়গাম অনেক মানুষের কাছে পৌঁছিয়েছিলেন। আর আল্লাহর লক্ষ লক্ষ বান্দাদেরকে তাঁর রাস্তায় লাগিয়েছিলেন। হজরত মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স)-এর শিক্ষাকে প্রচার-প্রসার করার মধ্যে কোন রকম ত্রুটি করেননি। ধনী, গরীব, আলেম ও সাধারণ লোকদেরকে এবং ঐ সময়কার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদেরকে নিজের মধ্যকার দরদ ও ফিকির এবং ঈমানী শক্তির প্রভাব দ্বারা প্রভাবান্বিত করেছেন এবং আপন বাবার নকসে কদমের ওপর চলে উম্মতে মুসলেমাহ’র ভেতর এসলাহী চেষ্টা তদবীরের মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মশগুল ছিলেন।
তাঁর তাবলীগী জামানা শুধু একুশ বছর। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে এত বড় কামিয়াবী অর্জন করেছেন। যে দাওয়াত ওয়ালা কাজকে একটা আন্তর্জাতিক কাজ বানিয়ে হার তবকা এবং বিভিন্ন মানসিকতার লোককে খুব বেশী প্রভাবান্বিত করেছেন।
এক বুজর্গের বক্তব্য এই যে, “তাঁর দৃষ্টান্ত কাছের ও দূরের শতাব্দী গুলোতে পাওয়া যাওয়া বিরল।”
এই সমস্ত বুজর্গদের দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়ার পর তাঁদের বাণী ও চিঠিপত্র আমাদের জন্য নিয়মাবলী ও সহী পথ প্রদর্শনের কাজ দেয়। হজরত মাওলানা ইলিয়াস (রহঃ)-এর বাণী ও পত্রাবলী তো বহু বছর আগেই বই আকারে ছাপা হয়ে গেছে, যদ্দ্বারা দাওয়াতের কাজ করনেওয়ালা বন্ধুদের অনেক উপকার হয়েছে এবং হচ্ছে। কিছু দিন থেকে এই অধমের অন্তরে এই খেয়াল ঘোরাফেরা করছে যে, হজরতজী মাওঃ ইউসুফ সাহেব (রহঃ)-এর বাণী ও পত্রাবলী সাধারণ পাঠকের সামনে যদি আসত, তাহলে অনেক উপকার সাধিত হত, কিন্তু লেখালেখির জন্য কলম ধরার ব্যাপারে অধমের নিজের এলেম ও আমলের কমতি এবং অন্যান্য বাধা-বিপত্তির কারণে অত্যন্ত সন্দেহ ছিল। এই অবস্থায় আমার ওস্তাদ ও দ্বীনি হিতাকাঙ্ক্ষী হজরত মাওঃ আবদুস সালামের সাথে পরামর্শ করায় তিনি আমাকে হিম্মত দিয়ে লিখতে সাহস যোগালেন। হজরতজী মাওঃ ইউসুফ সাহেব (রহঃ)-এর বাণীসমূহ বেশ কিছু কিতাবের বিভিন্ন জায়গায় ছড়ানো ছিটানো ছিল, যদ্দ্বারা উপকৃত না হওয়া তো অসম্ভব ছিল না, কিন্তু কঠিন অবশ্যই ছিল। এই কঠিনকে সহজ করার জন্য আল্লাহর তৌফিককে সাথে নিয়ে এই লাইনের যত কিতাব সহজভাবে যোগাড় করা সম্ভব হয়েছে, যোগাড় করে “হজরতজী মাওঃ ইউসুফ সাহেব (রহঃ)-এর বাণী (প্রথম খণ্ড)” নামে প্রকাশ করা হল। এই লাইনের আরও কিতাব সংগ্রহ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় ২য় আরেকটি খণ্ড প্রকাশের ইচ্ছা আছে। যে মানুষের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না সে আল্লাহর কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে না। এ হিসাবে যাঁদের শুকরিয়া আদায় করতে হয়, তাঁরা হলেন, আমার ওস্তাদ হজরত মাওঃ রাফআত সাহেব, হজরত মাওঃ মুফতি একরামুদ্দীন সাহেব, হজরত মাওঃ ইউনুস পালনপুরী সাহেব, মাওঃ আবদুস সালাম সাহেব, জনাব মাষ্টার নজীর আহমদ সাহেব ও মাষ্টার মাসউদ আলী সাহেব। আল্লাহ পাক এদের সবাইকে উত্তম বিনিময় প্রদান করুন। আল্লাহ পাকের লাখ লাখ শোকর আদায় করছি যে, তিনি তাঁর একজন দুর্বল বান্দাকে তার এলেম ও আমলের কমতি সত্ত্বেও হজরতজীর বাণীকে একত্রিত করার তৌফিক দান করেছেন। সম্মানিত পাঠকদের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ, যদি কোথাও কোন ত্রুটি ধরা পড়ে, মেহেরবানী করে জানিয়ে দিলে পরবর্তী সংস্করণে তা শুদ্ধ করে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ পাক এই কিতাবকে কবুল করুক এবং আম খাস সকলের জন্য উপকারী বানিয়ে দিক এবং আমার নাজাতের উসিলা হোক। যারা এই কিতাব থেকে উপকৃত হবেন তাদের কাছে আবেদন, তারা যেন আমার খাতেমা বিলখায়ের ও গোনাহ মাফির দোয়া করেন।
ভারত, ১০/০৪/১৪১৫ হিঃ — বিনীত, মোহাম্মদ রওশন শাহ কাসেমী
অনুবাদকের কথা
বিশ্ব-বরেণ্য মনীষীদের বাণী ও পত্রাবলীর সম্ভার পৃথিবীর সব জাতি ও সব সাহিত্যেই সবিশেষ গুরুত্ব রাখে। তাই দেখা যায়, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মনীষীদের বাণী তাঁদের নিজ নিজ দেশ ও তাঁদের জাতিকে সব সময় উপকৃত করেছে। মুসলিম মনীষীদের বাণীতেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। এমন মনীষী খুব কমই আছেন, যাঁর বাণী প্রকাশিত হয়ে গণ মানুষের উপকার সাধিত হয়নি। তবে তার সম্ভার আরবী, ফার্সী ও উর্দু ভাষাতেই বেশী। বাংলায় রূপান্তর খুব কম দেখা যায়। হজরতজী মাওলানা ইউসুফ সাহেব (রহঃ) ভাষার দিক থেকে উর্দুভাষী হলেও দাওয়াত ও তাবলীগের মত মুসলমানদের একটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত একমাত্র আন্তর্জাতিক সংগঠনের কর্ণধার হওয়ার সুবাদে তাঁর স্বীকৃতি শুধু আন্তর্জাতিকভাবে আছে তাই নয়, বরং তাঁর বাণীর মধ্যেও রয়েছে আন্তর্জাতিক কর্তব্যবোধ ও দৃঢ় প্রত্যয়। এক একটি বাণীতে মহাশক্তি রয়েছে বলে আমার বিশ্বাস হওয়ায় বহু দিন থেকে তাঁর বাণীকে বাংলা ভাষা-ভাষীদের কাছে তুলে ধরার এক স্বপ্ন দেখতে থাকি। এ স্বপ্নই আজকের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। অনুবাদকের সার্বিক অযোগ্যতা সত্ত্বেও তাঁর এই মোবারক বাণী বাংলা ভাষীদের জন্য উজ্জীবনী শক্তি হিসাবে কাজ করবে বলে অধমের বিশ্বাস। আল্লাহ আমাদের সকলের জন্যই এই উদ্যোগকে মোবারক করুক। আমীন।
— ইসহাক ওবায়দী
